বাংলা এ/ডা/ল্ট গল্প: নিষিদ্ধ ভ্রমণ
লেখক: Sumi Akhtar
আজ ১৪ বছর বিয়ে হয়েছে পায়েলের (নাম পরিবর্তিত)। স্বামী মার্চেন্ট নেভিতে চাকরি করে। বছরে চার মাস বাড়িতে থাকে, বাকি আট মাস গহীন সমুদ্রের ছুটে চলে পায়েলের স্বামীর জাহাজ। বর্তমানে পায়েলের পরে ৩৯ বছর। স্বামী স্ত্রী ও ১৩ বছরের মেয়েকে নিয়ে সুখের সংসার পায়েলের । পায়েল ছোট থেকেই মেয়েকে একটি কনভেন্ট স্কুলের বোর্ডিংয়ে রেখে পড়াশোনা করাচ্ছে। মার্চেন্ট নেভিতে চাকরি করার সুবাদে পায়েলের স্বামী মোটা অংকের বেতন পায়, এছাড়াও পায়েল নিজেও একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করার সুবাদে ভালই রোজগার করে।
সোশ্যাল মিডিয়ার সুবাদে পায়েল খুঁজে পায় তাঁর কলেজ জীবনের এক বান্ধবী শ্রুতিকে। মেসেঞ্জারে কথা হতে হতে দুই বান্ধবী একদিন কফি শপে মিট করে। কত পুরনো কথা, আড্ডা হয়। এভাবেই ধীরে ধীরে পায়েল ও শ্রুতির বন্ধুত্ব গভীর থেকে গভীরতর হয়।
শ্রুতির স্বামী একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে বড় পদের চাকরি করে। শ্রুতিরও একটি ১২ বছরের মেয়ে রয়েছে। একদিন আড্ডা দিতে দিতে শ্রুতি পায়েলকে প্রস্তাব দেয় দীঘা ঘুরতে যাবার জন্য। শ্রুতি তার স্বামী এবং পায়েল তিনজন যাবার কথা বলে। পায়েল প্রথমে নিমরাজি থাকলেও শ্রুতির জোরাজুরিতে পায়েল রাজি হয়। তাছাড়া কর্মস্থল এবং পারিবারিক চাপে বহুদিন কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয়নি।
সপ্তাহখানেক পর তাদের যাওয়ার দিনটি চলে আসে। শ্রুতির স্বামী নিজেই ড্রাইভ করে নিয়ে যাবে। কথামতো পায়েল রেডি হয়ে ছিলো, শ্রুতি এসে পায়েলকে বাড়ি থেকে রিসিভ করলো। ছুটির পরনে ছিল লাল টি শার্ট এবং জিন্স, পায়েল কুর্তি আর জিন্স পরেই রওনা হলো। এখনো পর্যন্ত সবই ঠিক ছিলো। কিন্তু গাড়ি একটু দূর যাওয়ার পরেই শ্রুতি বললো আমাদের সঙ্গে আরেকজন সঙ্গী হচ্ছে, তন্ময়। শ্রুতির স্বামীর এক বন্ধু, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। দিন চারেক আগে কলকাতাতে এসেছে। ফলে সেও সঙ্গী হচ্ছে। পায়েল এবার একটু অবাক হয়ে পড়লে শ্রুতি বলে উঠলো, চিন্তা করিস না, ওরা দুই বন্ধু এক রুমে থাকবে, আমি আর তুই অন্য আরেকটা রুম নিয়ে নেব। একটু পরেই তন্ময় এসে তাদের গাড়িতে যাত্রী হলো। সারাটা রাস্তা হাসি ঠাট্টা মজা করতে করতে দীঘা চলে আসলো। মাঝে একটি জায়গায় তারা খাওয়া দাওয়া করার জন্য খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলো।
তাদের আগেই হোটেল রুম বুক করা ছিলো। তবে তন্ময় যুক্ত হওয়ায় নির্ধারিত রুমটি পাওয়া গেলো না। কারণ শ্রুতিরা যে রুমটি বুক করেছিলো, সেখানে কোন মতেই তিনজনের বেশি থাকার ব্যবস্থা নেই। শ্রুতি ভেবেছিলো সেখানে গিয়ে হয় ওই রুমেই চারজন মিলে এডজাস্ট করে নেবে অথবা আরেকটি রুম নিয়ে নেবে। কিন্তু দিঘাতে আজকাল এত বেশি ভিড় হচ্ছে যে ঘর পাওয়াই মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। ফলে হোটেল কর্তৃপক্ষ তাঁদের ছোট ছোট ডবল বেডের দুটি রুম অফার করলো, যেখানে সর্বাধিক দুজন করেই থাকতে পারে। ঘরগুলোতে সমস্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এসি তো আছেই, সাথে গিজার wifi টিভি অ্যাটাচ ওয়েস্টার্ন টয়লেট সবই আছে। তাছাড়া হোটেলটি সমুদ্রের খুবই কাছে, নিজস্ব পার্কিং ব্যবস্থা রয়েছে, রয়েছে একটি সুন্দর ডাইনিং হল কাম বার এবং সর্বোপরি অসাধারণ একটি সুইমিং পুল আছে।
ঘরে চেক ইন করা হলো। আপাতত সবার লাগেজ একটি ঘরে রাখা হলো। একটু বেলাও হয়েছিলো। তাই তাড়াতাড়ি সমুদ্রের পার থেকে একটু ঘোরাঘুরি করে আসার পর দুপুরের লাঞ্চ করে ফেলল সবাই। লাঞ্চ হয়ে গেলে শ্রুতির হাসবেন্ড বললো, দীঘায় এসছি সুতরাং ড্রিঙ্ক করতে হবে। এদিকে পায়েল ড্রিঙ্ক করে না। শ্রুতি বললো চিন্তা করিস না, তোর জন্য বিয়ার আনাচ্ছি, বিয়ার খেলে কিছু হয় না। শ্রুতি তার হাজবেন্ড এবং তন্ময় ফল চাট-এর সঙ্গে ব্লেন্ডার্স প্রাইড খেতে লাগলো, অন্যদিকে পায়েল বিয়ারের গ্লাসে চুমুক লাগালো। সঙ্গে হাসি ঠাট্টা মজা ননভেজ জোকস্ চলতে লাগলো। আস্তে আস্তে সবাই নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়লো। সবাইকে অবাক করে শ্রুতি বলে উঠলো, আমার আর ভালো লাগছে না, আমি একটু শোবো। আমি কিন্তু হাজবেন্ডকে ছাড়া থাকবো না। শুনে শ্রুতির হাসবেন্ডও বলল,না না বউকে ছাড়া আমিই বা কেন থাকব! বলে হঠাৎ করে শ্রুতি নিজেদের সমস্ত লাগেজ নিয়ে পাশের রুমটিতে চলে গেলো! পায়েল কিছু বলতেই পারল না!
শ্রুতিরা চলে যাবার পর রুমে এখন তন্ময় ও পায়েল রয়ে গেলো। ইতিমধ্যে ড্রিংক করার সময় পায়েল ড্রেস চেঞ্জ করে নিয়েছিলো। একটি স্লিভলেস করতে ও লেগিনস্ পড়েছিলো। একেবারে অপ্রস্তুত হয়ে পড়ল পায়েল। নিজেকে যথাসম্ভব গুটিয়ে নিতে চেষ্টা করলো। ঘরের এসিটা আরো ঠান্ডা করে ঘুম পাচ্ছে বলে শুয়ে পড়লো পায়েল।
এদিকে তন্ময় পায়েলকে লোলুপ দৃষ্টিতে দেখতে লাগলো। একটু পরে তন্ময় নিজেও এসে পায়েলের পাশে শুয়ে পড়লো।
আস্তে আস্তে পায়েলের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু করলো তন্ময়। প্রথমে পারিবারিক কথাবার্তা হলো। তারপর হঠাৎ তন্ময় পায়েলকে বলে উঠলো সেই যথেষ্ট সুন্দরী এবং সেক্সি । পায়েলকে দেখে মনেই হয় না যে ১৩ বছরের একটি মেয়ের মা সে! পায়েল এবার কোন উত্তর করলো না। তন্ময় হাসতে হাসতে পায়েলের দিকে এগিয়ে গেলো। পায়েলের চুলে হাত বুলোতে লাগলো। যথেষ্ট অবাক হলো এবং তন্ময়কে দূরত্ব বজায় রাখতে বললো। কিন্তু এই কথা শেষ না হতে হতেই তন্ময় সর্বশক্তিতে জড়িয়ে ধরল পায়েলকে। এবার পায়েল শরীরের সর্বশক্তি দিয়ে তন্ময়ের বাহুবন্ধন থেকে নিজেকে ছাড়াতে চেষ্টা করলো।
কিন্তু বৃথা চেষ্টা। তন্ময়ের অমানুষিক শক্তির কাছে পায়েল একদমই পেরে উঠল না। তন্ময় আস্তে আস্তে পায়েলের কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললো, আজ যদি আমরা দূরে সরে থাকি, তবে স্বয়ং ভগবানও আমাদের ক্ষমা করবে না। এই বলে পায়েলের দুটো হাত সম্প্রসারিত করে দুই হাত দিয়ে চেপে ধরে, পায়েলের দুই পা চেপে তন্ময় নিজের দুই পা দিয়ে শক্ত করে চেপে পায়েলের ঠোঁটে একটি গভীর কিস করলো। পায়েল স্বপ্নেও ভাবেনি এরকম পর পুরুষের সঙ্গে তাকে সময় কাটাতে হবে। সে মরিয়া হয়ে বাধা দেবার চেষ্টা করলো, কিন্তু বৃথা চেষ্টা। তন্ময়ের সুগঠিত পৌরুষের গর্জনে পায়েলের সব চেষ্টা বৃথা হল।
এভাবেই তন্ময় পায়েলের ঠোঁট ঘাড় গলা বগলে কিসে কিসে ভরিয়ে দিলো। একটা পর্যায়ের পর পায়েল একদম হাল ছেড়ে দিলো। তাছাড়া তন্ময়ের এই সিংহের মতো আদর পায়েলকেও ধীরে ধীরে দুর্বল করে ফেলেছিলো। পায়েল হাল ছেড়ে দেওয়ার পর তন্ময় বিজয়ের উল্লাসে ঝাঁপিয়ে পড়লো পায়েলের উপর। আস্তে আস্তে পায়েলের পরনে থাকা সমস্ত পোশাক খুলে দিল তন্ময়। সে নিজেও উলঙ্গ হয়ে পায়েলকে কাছে টেনে নিলো। শুরু হলো এক আদিম উল্লাস। ইতিমধ্যে পায়েলকেও যৌনতার নেশা ঘিরে ধরেছে। পায়েলও নিজের সংসারের কথা ভুলে নিজের মেয়ের কথা ভুলে তন্ময়ের সঙ্গে মেতে উঠলো এক উল্লসিত যৌনতায়।
এভাবেই সারাটা দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যে হয়ে রাত নামল। ইতিমধ্যে তন্ময় পায়েলকে আদর করতে করতে দুবার নিজের বীর্যে পায়েলকে ভরিয়ে দিয়েছে। রাত্রি ন’টার সময় পাশের ঘর থেকে শ্রুতি ফোন করলো, শ্রুতি যেন জেনেই গিয়েছিল অন্য ঘরে পায়েলের দফারফা হচ্ছে। সে বলল বান্ধবী তোর কি অবস্থা, পায়েল মৃদু গলায় উত্তর দিল একেবারে শেষ করে দিয়েছে। বলেই হাসি। ওপাশ থেকে শ্রুতি বললো ঠিক আছে আধ ঘন্টার মধ্যে আয় আমরা ডিনারে যাব। ইতিমধ্যে তারা চারজন ফ্রেস হয়ে বেরিয়ে একটু সমুদ্রের পাড়ে ঘোরাঘুরি করতে থাকলো। এখন পায়েল তন্ময়ের সঙ্গে একেবারে স্বাভাবিকভাবেই মিশছে। তারা হাত ধরে সমুদ্রের পাড়ে গোড়ালি ভেজা জলের মধ্যে দিয়ে হাঁটছে। পায়েলের পরনে স্লিভলেস কুর্তি ও কোয়ার্টার লেগিংস। এভাবেই খানিকক্ষণ থাকার পরে তারা আবার রুমে চলে আসলো। ডিনার করার পর কেউ বেশি কথা বলল না। যে যার ঘরে চলে গেল।
রাত্রিবেলা তনময় করে আসার আগে ড্রিঙ্কস নিয়ে ঘরে ঢুকলো। পায়েল এখন অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে। সে নিজে একটি বেবি ডল টাইপের হাঁটুর পর্যন্ত লম্বা নীল রঙের ম্যাক্সি জামা পড়ে আছে। ঘরে এসেই তন্ময় পালকি প্রথমে একটি ডিপ কিস করলো। এরপর ড্রিঙ্ক নিয়ে দুজনেই ড্রিংক করতে করতে কিস করতে লাগলো এবং ফের তন্ময় পায়েলকে উলঙ্গ করে ফেললো। ফের শুরু হল পায়েল এবং তন্ময়ের উদ্দাম যৌনতা। পায়েল এখন তন্ময়ের সঙ্গে যৌনতায় লিপ্ত হয়ে খুব স্বাভাবিক আচরণ করছে। রাত্রি দুটো পর্যন্ত মোট তিনবার তন্ময় পায়েলের সারা শরীর বীর্য দিয়ে ভিজিয়ে দিল। পরের দিন সকাল ন’টায় উঠে ফের একবার তাদের মধ্যে যৌনতা হল।
এরপর ফিরে যাবার পালা। শ্রুতি এবং তার স্বামী রেডি হয়েছিলো। তন ্ময় তাদের বলল যে শ্রুতি এবং তার স্বামীকে ফিরে যেতে। সে পায়েলের সঙ্গে আরেকটি দিন কাটাতে চায়। করতে বলতে পায়েল কোন কথাই বলল না। শ্রুতি এবং তার স্বামী গাড়ি নিয়ে ফিরে গেলো। তন্ময় এবং পায়েল আরেকটি গাড়ী নিয়ে মন্দারমনির একটি রিসোর্উটে গিয়ে উঠলো। যাওয়ার সময় তন্ময় পায়েলের জন্য দীঘা মার্কেট থেকে বেশ কিছু বিকিনি টাইপের ড্রেস কিনে নিলো।
এরপর মন্দারমনিতে রিসোর্ট এগিয়ে তারা রিসোর্ট-এর সুইমিংপুলে খানিকক্ষণ চল জল কেলি করলো। পায়েল জীবনে প্রথম বিকিনি ড্রেস পড়ে জলে নামল। তবে ঘরে গিয়ে পায়েলকে আর কষ্ট করে কিছু পড়তে হয়নি। পায়েল উলঙ্গ হয়েই ছিল সারাক্ষণ শুধুমাত্র দুবার বাইরে ঘুরতে যাওয়া ছাড়া। দাদুপুর সারা সন্ধ্যে সারারাত তারা প্রবল যৌনতায় লিপ্ত হয়েছিলো। তন্ময়ের বীর্যে পায়েল সম্পূর্ণ স্নান করে ফেলেছিলো। তন্ময়ও পায়েলের কাম রস তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করে খেয়েছিলো। পরদিন সকাল ১০ টা পর্যন্ত তন্ময় ও পায়েল এইভাবে যৌনতায় বারবার লিপ্ত হয়েছিলো। এবং এভাবেই তাদের দিঘা ও মন্দারমনি ভ্রমণ শেষ হলো। ফেরার সময় তনময় পায়েলকে একটি আইপিল খাইয়ে নিয়েছিলো।
চলবে..
তোমার উত্তেজিত শব্দগুলো আমার জন্য সবচেয়ে মধুর পুরস্কার! তোমার কল্পনা, তোমার আগ্রহ, তোমার গোপন ইচ্ছেগুলো শেয়ার করতে দ্বিধা কোরো না… আমি অপেক্ষায় থাকবো।
ইতি,
Sumi
