আরো পড়ুন : ট্রেনে হি*ন্দু মে*য়ের সাথে যেটা হয়ে গেল কোনদিন ভুলবো না।
আমরা প্রতিদিন বিকালে বাড়ির সামনে উঠানে ক্রিকেট খেলতাম। হঠাৎ ক্রিকেট খেলতে গিয়ে একদিন পাশের বাড়ির টিনসেড বিল্ডিং এর চালের উপর বল পড়লো। আমি যেহেতু লম্বা ছিলাম তাই চালের উপর বল পারতে উঠলাম। আমি চাল থেকে নামার সময় হঠাৎ ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে চোখ পড়লো। দেখলাম বাথরুমে একজন মহিলা গোসলের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফর্সা শরীরে শুধু একটা গোলাপি ব্রা আর একটা খয়েরি রঙের পেটিকোট। বিশাল মোটা। পুরুষ্ট স্তন। পেটে অনেক চর্বি জমেছে। বয়স ২৭-৩০ হবে। পাছাটা অনেক বড়। চুলগুলো বিশাল খোঁপায় বাধা।
আমার চোখ দেখে তিনি ভেন্টিলেটরের গ্লাস ক্লোজ করে দিলেন। আমি দ্রুত নেমে আবার ক্রিকেট খেলতে লাগলাম। রাতে পড়ার পর ঘুমাতে গেলাম। ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দোষ হলো। ঘুমের মধ্যে ওই মহিলার শরীর কল্পনা করতে লাগলাম। কে এই নারী? যে আমাকে পাগল করে দিলো। ৩০ বছরের একটা মহিলার স্তন বাইরে থেকেই এত সুন্দর, ভেতর থেকে না জানি কেমন হবে। তার খোলা চুল কত বড়? তার হাটু কেমন? কোমর কেমন হতে পারে? কিংবা তার গোসল করা দেখতে কেমন? এইসব চিন্তা করতে করতে আমার ঘুম এলো না। মনে যৌবনের আগুন লেগে গেলো। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি প্যান্ট এর মাঝে সাদা রঙের মানচিত্র। এটাই সম্ভবত প্রথম স্বপ্নদোষ। কোনো রকম ঘুম থেকে উঠে প্যান্ট ধুয়ে স্কুলে গেলাম।
এভাবে চললো কয়েকদিন। আমি সেভেন থেকে এইট এ উঠে বৃত্তির জন্য কোচিং করছি। হঠাৎ একদিন দেখলাম সেই আন্টি আমাদের বাসায় এসে আমার নানুর সাথে কথা বলছে। মহিলার সাথে নানু আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন। উনার নাম সীমা। একটা kindergarden স্কুলে চাকুরী করেন | husband এর সাথে ঝগড়া হয়ে ডিভোর্স হয়ে গেছে। উনি ওনার বাবার বাড়িতে থাকেন। উনার একমাত্র মেয়ে ক্লাস ওয়ান এ পড়ে। উনি আমাদের উনার বাসায় যেতে বললেন।
এর পর থেকে আমি উনার বাসায় যাই। আমার বৃত্তি পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলো। তখন ওনার বাসায় যেতাম। গিয়ে গল্প করতাম। আমি সাইন্স নিলাম। পড়ার চাপ বারলো। ওনার মেয়েকে পড়ানোর দায়িত্ব দেয়া হলো আমাকে। একদিন বিকেলে ওনার বাসায় গিয়ে দেখি ওনার মেয়ে বাসায় নেই। বুয়া ঘর মুখে। উনি গেছেন গোসল করতে। বুয়া ঘর মুছে বললো, স্যার আমি যাই। ম্যাডাম আসলে বইলেন। আমি বললাম যাও।
অনেক্ষন বসে থাকার পর কোনো সারা শব্দ পেলাম না। ভাবলাম, আন্টিকে গিয়ে ডেকে আসি। ওনার রুমের কাছে যেতেই বাথরুম থেকে পানির ঝড়নার আওয়াজ পেলাম। বাথরুম ভেতর থেকে লাগানো। ভাবলাম, ওনাকে ডাক দেই। আবার ভাবলাম, থাক। কিন্তু আমার মনে তখন কি যেন ভালোবাসার বান ডাকতে লাগলো। আমি বাথরুমের ফুটা দিয়ে ভেতরে তাকালাম। দেখলাম, সীমা আন্টি খোলা শরীরে সাবান দিচ্ছে। কোমরে শুধু কালো পেটিকোট। চুলগুলো খোলা। কোমর পর্যন্ত নেমে গেছে 15'5' উচ্চতার সীমা আন্টির বিশাল কোমর আর স্তন। স্তন ৩৮ হবে। আমি লক্ষ্য করলাম আমার ধোন দাঁড়িয়ে গেছে। একে শান্ত করা যাবে না। আমি ওনার রুমে গিয়ে স্ট্যান্ড এ ঝোলানো একটা কালো ব্রা পকেটে নিয়ে নিলাম। উনি বাথরুম থেকে আসা পর্যন্ত ফুটা দিয়ে ওনার গোসল দেখতে লাগলাম। উনি আসার পর বললাম, আজ আর পড়াবো না আন্টি। সন্ধ্যা হয়ে গেছে। উনার থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসলাম। বাসায় এসে নিজের washroom এ গিয়ে পকেট থেকে সীমার ৩৮ সাইজ এর ব্রা বের করে নাকে দিয়ে শুকতে লাগলাম। হালকা ঘামের গন্ধ আর সেন্ট এর মিশ্রিত গন্ধ। ব্রা এর দুইটা কাপ এর ভেতর মুখ লাগিয়ে ঘষতে লাগলাম। আহ, এটাতে আমার সীমার স্তন থাকে। ভাবলাম, এইরকম একটা বৌ কে কোন পাগল ডিভোর্স দেয়? যাই হোক, সীমার আগের হাসব্যান্ডকে ধন্যবাদ। তার ডিভোর্সের কারণের সীমার সব আমার। রাতে ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন দেখলাম সীমাকে আমি চুদছি। আমার আবার স্বপ্ন দোষ হলো। আমি দুর্বল অনুভব করলাম। ঘুমিয়ে গেলাম। ঘুম থেকে উঠে আমি স্কুলে গেলাম।
এভাবে চলতে লাগলো। স্কুল পার হয়ে আমি কলেজে ভর্তি হলাম। ঢাকা কলেজ থেকে HSC কে গোল্ডেন পেয়ে ভর্তি হলাম বুয়েটে। সীমা আন্টি একাই থাকে তাই ওনাকে বললাম, আমাদের বুয়েটের নবীনবরণে আসতে। উনি বললেন, ওনার মেয়ের ফাইভ এর পিএসসি পরীক্ষা। তাই যেতে পারবেন না। আমি খুব অনুরোধ করলাম। তিনি রাজি হলেন। কালো রঙের একটা শাড়ি পড়ে নবীনবরণে গেলেন। কে বলবে ওনার বয়স ৩৫? আমি ভাবলাম, ওনাকে নিয়ে আজকে ঘুরবো। ওনাকে নিয়ে রিক্সায় উঠলাম। দুপুরে নীলক্ষেত থেকে বিরানি খেলাম। রিক্সায় উঠে হুড ফেলে দিলাম। উনি আমার আরো পাশে বসলো। ওনার একটা স্তন আমার শক্ত হাতে ধাক্কা খেলো। আমি সামলে নিলাম। আমি ওনাকে বাসায় পৌঁছে দিয়ে আমার বাসায় এসে পড়লাম। নিজের রুমে শুয়ে শুয়ে ভাবতে লাগলাম। এভাবে, চলা যায় না। সীমাকে কিছু বলতে হবে। সীমার ৩৫ বছরের যৌবন এর শরীর আমার রাতের ঘুম হারাম। করে দিয়েছে। আমি সীমাকে বিয়ে করবোবলে ঠিক করলাম। কিভাবে বলা যায় তাই ভাবছি।
হঠাৎ একদিন সুযোগ এসে গেলো। বাসার সবাই গেলো বেড়াতে। আমি পরীক্ষার কথা বলে গেলাম না । আমি সীমাদের বাসায় গিয়ে বললাম, আন্টি সবাই তো বাইরে গেছে বেড়াতে। সীমা বললেন, তুমি এই বাসায় থাকো। রুম খালি আছে। বিকালে মাইসুনকে (সীমার মেয়ে) পরিয়ে রাতে এক রুমে হালকা আলোতে পেপার পড়ছি হঠাৎ শিমা আন্টি এক গ্লাস দুধ দিয়ে গেলো। মেক্সি পড়া সীমা আন্টির চুলগুলো ছিল খোলা। ব্রা এর ফিতা দেখা যাচ্ছে। আমি washroom এ গিয়ে প্রস্রাব করবো । এমন সময় সীমা আন্টির রুমে চোখ পড়লো। হালকা আলো জ্বলছে। রুমের ফুটা দিয়ে ভেতরে তাকালাম। দেখলাম, আন্টি মেক্সি খুলে ব্রা আর পেটিকোট পড়ে পাউডার দিচ্ছে। রাত বাজে প্রায় একটা। ওনার রুমে আর কেউ নেই। এইতো মোক্ষম সময়। আমি প্যান্ট চেঞ্জ করে লুঙ্গি আর স্যান্ডো গেঞ্জি পড়ে ওনার রুমে নক করলাম। উনি বললেন, কে? আমি বললাম, আমি। উনি দরজা খুলে বললেন, এত রাতে কি চাই? আমি বললাম, ঘুম আসছিলো না। তাই ভাবলাম গল্প করি।
কিছুক্ষন গল্প করার পর বললাম, আপনি কি আর বিয়ে করবেন না ?
উনি বললেন, না। আমার মেয়েকে দেখবে কে? যাকে বিয়ে করবো সে মাইসুনের বাবা হতে পারবে না
উনি বললেন, তোমার বিয়ের বয়স হয়েছে বিয়ে করে ফেলো
আমি বললাম, আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি বললেন, কি?
আমি বললাম, তুমি যদি রাজি থাকো আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই।
তিনি বললেন, কি বলছো তুমি? তুমি আমার ছেলের মতো।
আমি বললাম, আমি তোমার ছেলের মতো কিন্তু ছেলে না। তোমাকে আমি ভালোবাসি। আর মাইসুন কে পড়াই। তোমাকে আমি ক্লাস সেভেন থেকে ভালোবাসি। তখন তোমার গোসল করা দেখে আমার স্বপ্ন দোষ হয়। কিছুদিন আগেও তোমার নগ্ন শরীর দেখে আমি রাতে ঘুমাতে পারি না। আমার যৌবনে তুমি একমাত্র নারী যাকে দেখলে আমি নিজেকে ঠিক রাখতে পারি না। অন্য কোনো মহিলাকে দেখলে আমার এমন হয় না। তুমি আমার কাছে স্বর্গের অপ্সরা। তুমিই বল, একজনকে ভালোবেসে
অন্যজনকে বিয়ে করা কি ঠিক?
সীমা বললো, মানুষ কি বলবে?
আমি বললাম, মানুষ এর কথা বাদ দেও। কেউ জানবে না এই কথা। আমি তোমাকে বিয়ে করে সুখে থাকবো। দুই জন চাকুরী করবো। সংসার চলে যাবে। সীমা আমাদের মেয়ে হয়েই থাকবে। আমি যদি তোমাকে না পাই আর কাউকে বিয়ে করবো না।
সীমা বললো, পাগলামি করো না।
আমি বললাম, আমি পাগল হয়ে গেছি। তোমাকে চাই।
সীমা দেখলো, আমি পাগলামি করছি। বললো, ঠিক আছে, আমি রাজি। তবে এক শর্তে, তোমাকে সংসারের দাইয়িত্ব নিতে হবে। আমি বললাম, ঠিক আছে।
আমি বললাম, আজ রাতে তোমার সাথে থাকতে চাই। সীমা বললো, বিয়ের পর। যদি কিছু হয়ে যায় তখন কি হবে? আমি বললাম, ঠিক আছে কালকেই বিয়ে করবো তোমাকে। রাতটা কোনোভাবে পার করলাম। সকালে সীমাকে টাকা দিয়ে দিলাম। ও শপিং করে আনলো। আমি কাজী অফিসে
shimaসীমাকে বিয়ে করলাম।
সীমার স্কুলের কাজের চাপ বলে ওর মেয়েকে কয়েকদিনের জন্য ওর বোনের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হলো। রাতে আমি আর সীমা একা। আমাদের বিছানা ফুল দিয়ে সাজানো হয় নি। আমি বিছানায় গিয়ে ওকে নিয়ে শুয়ে পড়লাম। কপালে kiss করলাম। তারপর গলায়। সীমা বুকের ব্লাউস খুলে ফেললো। আর শাড়ি খুলে একটা বাসার কালো পেটিকোট পড়ে আসলো। আমি ওকে জড়িয়ে ধরে ওর ব্রা এর হুক খুলে ফেললাম। কি বিশাল! দুইটা কালো বোঁটা ঝুলে গেছে। আমি মুখে দিয়ে চুষতে লাগলাম। অনেক নরম। সীমা আমার চুলে হাত বোলাতে লাগলো। এরপর উনদেরওয়ার খুলে সীমার পেটিকোট খুলে আমার নুনু দিয়ে চুদতে লাগলাম। নুনু দিয়ে নিচে চুদছি আর দুই হাতে দুধ টিপছি এভাবে চললো, 15-20 মিনিট। এবার সীকে বললাম, পেটিকোট এর কাপড় তোলো। সীমা বললো, কি করবা? আমি বললাম, doggy style এ চুদবো। সীমা ওর কালো পেটিকট উপরে তুললো। আমি বললাম, তোমার পুটকি তো বালে ভরা। শেভ করোনি কেন? বললো, সময় পায়নি। আমি বললাম, স্কুলের টিচার হয়ে যদি নোংরা থাকো তবে ছাত্ররা কি শিখবে? সীমা বললো, আজকে আপাদত করো কালকে শেভ korboকরবো করবো। আমি ঠাপাতে লাগলাম। সীমার লম্বা চুলগুলোকে ঘোড়ার মতো হাতে নিয়ে ঠাপাতে লাগলাম আর খিস্তি করলাম, "প্রথম তো বলেছিলি বিয়ে করবি না। এখন তো বিয়ে করতেই হলো। সাত বছর রাতে ঘুমাতে পারিনি তোর কথা ভেবে। তোর নগ্ন দেহকে পাবো বলে কত রাত নির্ঘুম কাটিয়েছি। আজ তোকে পেয়েছি। সব চাহিদা পূরণ করবো।
আরো দেও। আমাকে খেয়ে ফেলো | আমি সীমা শীৎকার দিয়ে উঠলো, আঃ আঃ আঃ যৌবন জ্বালা সহ্য করতে পারি না। দুধের বোঁটা গুলা ছিড়ে ফেলো। আমি আর পারি না।
আমি সীমার বোঁটা গুলো চুষতে চুষতে প্রায় ছিলে ফেললাম।
এর পর থেকে আমরা সুখে সংসার করতে লাগলাম। আমাদের তিনটা বাচ্চা হয়েছে
লেখক Sumi Akhtar
