হায় বন্ধুর রা কেমন আছেন সবাই। চলে আসলাম নতুন আরেকটা মজার ঘটনা নিয়ে। আজকে
আপনাদের যে ঘটনা টি শুনাবো সেটি একটি সত্যি ঘটনা। আমার নাম হিমেল। আমার বয়স ছাব্বিশ।
বিয়ে করি নি। সবে মাত্র পড়াশোনা শেষ করে নতুন একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি তে চাকরি
নিয়েছি। নতুন চাকরি ছয় মাস হয়েছে জয়েন্ট করেছি। ছোটো বেলা থেকে আমার মেধা ভালো।
Spin and Win
পড়াশোনা নিয়ে অনেক সিরিয়াস ছিলাম। ইন্টারভিউ দিতে যখন এসেছিলাম তখন বস আমার
সার্টিফিকেট দেখে নিজে ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন। আমি সব গুলোতে টপার হয়ে গেলাম। বস আমার
টেলেন্ট দেখে বলেন। আজ কের পর থেকে তুমি আমার সব পার্সোনাল এবং অফিসের প্রজেক্ট
হেনডেল করবে। চাকরি কনফার্ম শুনে মনটা আনন্দে ভরে গেছে। এতোদিনের পরিশ্রম আমার সফল
হয়েছে। অফিসের অন্য কলিক রা আমাকে বল্লো বস জাকে খুব বিশ্বাস করেন। তাকে তিনি
পার্সোনাল সব প্রজেক্ট দেন। তুমি তো খুব লাকি। তারপর থেকে অফিসের সব বড়ো বড়ো প্রজেক্ট
আমার হাতে চলতে থাকে। এবাবে চলতে থাকে কিছুদিন । একদিন বসের সাথে বসের ওয়াইফ অফিসে
আসেন। অফিস ঘুড়ে আমার কাছে এসে দাড়ালো ।বসের ওয়াইফের নাম জেহুতু এসেছে তা হলে তার
বর্ননা টা দিয়ে নেই। বয়স পয়ত্রিশ হবে। জেমন লম্বা তেমন ফর্শা সুন্দর সুটাম ফিগার। পুরো মডেলিং
Spin and Win
বল্লো তোমার কথা আশিক এর মুখে অনেক শুনি। আশিক আমার বসের নাম। তোমার যেমন মেধা
তুমি তেমনি দেখতে ও খুব স্মার্ট হ্যানসাম। বিয়ে করেছো। আমি কোনো দ্বিধা না করে নরম সুরে লজ্জা
লজ্জা ভাবে মাথা টা নেরে না সম্মতি দিলাম। বসের তাড়া হুরা ছিলো একটা মিটিং জয়েন্ট করবেন।
তারা দুজনে চলে গেলেন৷ আমার পাশের কলিংক আমাকে বল্লো কি দেখতে কেমন। এবাবে দাড়িয়ে
এসে বসের ওয়াইফ আজ পর্যন্ত কারো সাথে কথা বলে নি। আমি কথা টা এড়িয়ে চলে গেলাম। আর
মনে মনে বসে বসে ভাবতে লাগলাম বিয়ের কথা কেনো বল্লেন। হয়তো এমনি জিগাসা করে়ছে।
তারপর নিজের কাজ করতে লাগলাম। তারপর থেকে বসের সাথে বসের ওয়াইফ অফিসে আসলে
আমার সামনে এসে আমার কাজ করা দেখতেন। তার মাস খানিক পর আমি বেশ কত গুলো প্রোজেক্ট
রেডি করে ছিলাম বস আমাকে বল্লো তার বাসায় গিয়ে দিয়ে আসতে। সে বাহিরে আছে কাজে। বসের
Spin and Win
বড়ো ডুপল্রেক্স বাড়ির মধ্যে বসের সুন্দরি বউ একা। দরজা খুলে ভিতরে গিয়ে বসলাম। আমাকে বল্লো
কি খাবে বলো। আমি এক গ্লাস পানি চাইতে সে নিজে গিয়ে নিয়ে আসলো। আমি বল্লাম এতো বড়ো
বাড়ির কাজের মেয়েরা কোথায়। আপনি আনতে গেলেন কেনো। লতা বল্লো কাজের মেয়েরা তুমি
আসার পাচ মিনিট আগে চলে গেছে। আমি পানি টা যখন ওনার হাত থেকে নিতে জাবো তখন। আমার
পেন্টের ওপর সব পানি পড়ে গেল। আমাকে বল্লো ছরি তুমি দরার আগে ই আমি গ্লাস টা ছেড়ে দিলাম।
আমি বল্লাম কিছু হবে না শুকিয়ে জাবে। বসের ওয়াইফ একটা তয়ালি এনে আমার পন্টের মধ্যে চাপ
দিতে লাগলো। তার পুরো হাত আমার মেশিনের মধ্যে পরছে। আমি বল্লাম কিছু হবে না এমনিতে
শুকিয়ে জাবে।তখন বসের ওয়াইফ বল্লো যতোটুকু হয়। বলে বলে আমার মেশিনের মধ্যে চাপ দিতে
লাগলো। হাতের স্পর্শ আমার শরিল জেনো সারা দিতে লাগলো। মেশিন টা পুর লাঠির মতো ঠেটিয়ে
ফুলে কলাগাছের মতো হয়ে গেছে। আমি সরে আসতে জাবো। তখন আমার মেশিনের মধ্যে তার হাত
Spin and Win
আমি বল্লাম আপনি আমার বসের ওয়াইফ আপনার সাথে আমি এমন কিছু করতে পারবো না। তখন
আমাকে ধাক্কা মেরে সোফায় ফেলে আমার উপরে উঠে। আমার মেশিনের সাথে তার গুহার ঘসা
দিচ্ছে। আর আমাকে জড়িয়ে ধরে বল্লো।তোমাকে আমার অফিসে দেখে খুব ভালো লাগছে। আমি চাই
তোমার সাথে একটা সুন্দর মূহুর্ত কাটাতে। আমি তোমার বসকে কিছু বলবো না। আমি বল্লাম আপনি
বস থাকতে আমার সাথে এসব কেনো করতে চাচ্ছেন। বসের ওয়াইফ আমাকে বল্লো আপনি না তুমি
বলো। নাম দরে বলো লতা। তখন লতা আমাকে বল্লো আশিক এর কাছে টাকা পয়সার সুখ আছে। এটার
নাই। আমি বল্লাম কেমন। তখন লতা বল্লো আগে কি কখনো করো নি। আমি বল্লাম না। লতা আমাকে
বল্লো আশিক আমার শারিরীক চাহিদা মেটাতে পারে না। দুই মিনিট এ উইকেট চলে জায়। তাতে
Spin and Win
এ কথা বলে। আমার পেন্ট টা খুলে ফেল্লো। আমার মেশিন টা পুরো মুখে ভরে ললিপপ এর মতো খেতে
লাগলো। আমার দুই হাতে তার কমলা গুলো দরিয়ে বল্লো নেও জোড়ে জোড়ে চাপ দাও। আমি ও পুরো
উত্তেজিত হয়ে গেলাম। বসের ওয়াইফ তার শরিলের সব জামা কাপড় খুলে ফেল্লো। দুজনে পুরো
উন্মুক্ত। আমার মেশিনের মধ্যে ধরে আমাকে তার ব্রেড রুমে নিয়ে গেলো। বিছানার মধ্যে গিয়ে লতা
শুয়ে পরলো। আর তার পা দু টো হালকা ছড়িয়ে দিলো। আমি গুহা টার মধ্যে মুখ লাগাতে জাবো। তখন
অন্য রকম একটা গ্রান আমার নাকে আসলো। এ জেনো অন্য রকম তৃপ্তির গ্রান। তারপর আমি মুখ
লাগিয়ে চুষতে লাগলাম। লতা পাগলের মতো বিছানার হাত দিয়ে দরে শুখ নিচ্ছে। বেশ কিছু খন পর
বসের ওয়াইফ আমাকে বল্লো আর সজ্য করতে পারছিনা। এবার তোমাে ওটা ভিতরে ডুকিয়ে আমারকে
তৃপ্তি দাও। আমি মেশিনটা সেট করে মুন্ডিটা দিয়ে বেশ কয়েকটা ঘসা দিতে লতা আরো পাগলের মতো
বিছানার মধ্যে কাতরাতে থাকে। তারপর এক থাপ দিতে আমার পুরোটা ভিতরে ডুকিয়ে দিলাম। বসের
ওয়াইফ আমাকে বল্লো। কতো ভালো লাগছে তোমাকে বলে বোথাতে পারবো না আমি হিমেল। আরো
জোরে জোরে থাপ মারো। আমি আরো জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগলাম। টানা বিশ মিনিট একের পর
এক রাম চাপান চাপানোর পর বসের ওয়াইফ তার সাগরের পানি বের করে দিলো। তারপর আমাকে
Spin and Win
বিছানার মধ্যে শুয়ে। আমার উপরে উঠে। উপর নিচ করতে করতে আরো দশ মিনিট করার পর আমি
আমার সব মধু লতার সাগরের ভিতরে ছেড়ে দিলাম। ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট ফলো করতে ভুলবে

